পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়া যাওয়ার পথে পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া এমভি মোস্তফা লঞ্চটি ১৭ ঘণ্টা পর সোমবার তীরে তুলে আনা হয়েছে। এ পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ৬৯ যাত্রীর মৃতদেহ।
এদিকে, সোমবার সকাল ১১টার দিকে উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হলেও নিখোঁজদের খোঁজে ডুবুরিদের উদ্ধার কাজ চলছে। তবে, স্বজনদের দাবি এখনো অনেকেই নিখোঁজ রয়েছেন। ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
লঞ্চডুবির ঘটনায় শোক জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলের নেতা ও বিএনপি চেয়ারপারসন।
এদিকে, নিখোঁজ যাত্রীদের সন্ধান কাজ অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৬৯ যাত্রীর মৃদদেহ পাওয়া গেছে। এরমধ্যে শনাক্ত শেষে অনেক মৃতদেহ স্বজনদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।
মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদেহ পরিবহনের জন্য প্রতিটি পরিবারকে ২০ হাজার টাকা দেয়া হচ্ছে। আর নিহত ব্যক্তির পরিবারকে ১ লাখ ৫ হাজার টাকা করে অনুদান দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে নৌমন্ত্রণালয়। ঘটনা তদন্তে গঠন করা হয়েছে ৫ সদস্যের একটি কমিটি।
রোববার বেলা ১২টার দিকে পাটুরিয়া থেকে দৌলতদিয়া যাওয়ার পথে সারবোঝাই একটি কার্গোর ধাক্কায় ডুবে যায় লঞ্চটি। অনেক যাত্রী সাঁতরে উঠতে সক্ষম হলেও অনেকেই ডুবে যান।