দরিদ্র ও ধর্মভীরু ছাত্রদের টার্গেট করে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর দূর্গম পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে দেয়া হচ্ছিল জঙ্গি প্রশিক্ষণ। রোববার অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে এ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং কমান্ডার মুফতী মাহমুদ।
ঐ এলাকায় এমন আরও জঙ্গি প্রশিক্ষণের কেন্দ্র থাকতে পারে বলে ধারনা করছে র্যাব।
১৯৯১ সালের প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড়ের পর চট্টগ্রামের বাঁশখালীর উপকূলবর্তী ছনুয়া থেকে সাধনপুর লাটমনি চূড়া পাহাড়ে ১২০ শতক জমি ইজারা নেন মওলানা মোবারক। গড়ে তোলেন হাঁস-মুরগীসহ বিভিন্ন গৃহপালিত পশুর খামার।
গভীর বন আর হাতির ভয়ে কেউ খুব একটা মোবারকের ওদিকটাতে যেতেন না বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। আবার কেউ গেলেও সরিয়ে দিতেন তার লোকজন। মাঝে মাঝে মোবারকের খামার থেকে গুলির আওয়াজ পাওয়া যেত বলেও জানান তারা।
রোববার র্যা বের অভিযানে খামাড় থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ বেশ কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও সন্ধান মেলেনি মোবারকের। গরীব ধর্মভীরু ছাত্রদের এখানে প্রশিক্ষণের মধ্যমে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করা হত বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র্যাবের কাছে স্বীকার করেছেন গ্রেপ্তারকৃতরা।
দূর্গম এ পাহাড়ী এলাকায় জঙ্গিদের এমন আরও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থাকতে পারে উল্লেখ করে মুফতী মাহমুদ বলেন, তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
চট্টগ্রামের বাশঁখালী উপজেলার লটমণি দুর্গম পাহাড়ী এলাকায় একটি জঙ্গি প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের সন্ধান পেয়েছে র্যাব। সেখানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, গোলাবারুদ ও জঙ্গি প্রশিক্ষণের সরঞ্জাম উদ্ধারসহ ৫ জঙ্গিকে আটক করা হয়েছে।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকেল থেকে গভীর রাত পযর্ন্ত লটমণি পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালায় র্যাব-৭। এ সময় জঙ্গি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে একে-২২ রাইফেল ৩টি, বিদেশি পিস্তল ৭টি, ৭৫০ রাউন্ড কার্তুজ, ৩টি ওয়াকিটকিসহ ছোট খাটো বিভিন্ন জঙ্গী সামগ্রী উদ্ধার করেছে র্যা ব।