লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় সোমবার ভোরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ যুবলীগের এক নেতা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে গুলিবিদ্ধ ওই যুবলীগ নেতা সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করেন রোববার সকালে পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে যায়।
আহত কবির হাসপাতালে বলেন, রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লেগুনায় করে মান্দারী থেকে লক্ষ্মীপুর যাওয়ার সময় গাড়ি থামিয়ে পুলিশ তার পরিচয় জিজ্ঞেস করে। পরে তাকে আটক করে চন্দ্রগঞ্জ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
বিকেলে চোখ বেঁধে পুলিশ তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায় এবং গভীর রাতে পায়ে গুলি করে হাসপাতালে ভর্তি করে বলে দাবি করেন কবির।
আর কবির হোসেন ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে পুলিশের দাবি করেছে।
উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক মিজান পাটওয়ারী দেশ টিভিকে বলেন, মান্দারী ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন কবির হোসেন। তার বাড়ি সদরের মান্দারী গ্রামে।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, রোববার রাত ৩টার দিকে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের রতনেরখিল এলাকায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটে।
পায়ে গুলিবিদ্ধ কবিরকে আটক করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ওসি বলেন, ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির সময় ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় কবিরকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, শেষ রাতের দিকে ওই এলাকায় একদল লোক ডাকাতির প্রস্তুতি নেয়ার সময় টহল পুলিশ সেখানে উপস্থিত হয়। তারা পুলিশের দিকে গুলি ছুড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এতে কবির গুলিবিদ্ধ হন এবং বাকিরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি উদ্ধার হয়।