ভারতের কোচবিহারে বিএসএফের বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যার পুনর্বিচারের কার্যক্রম শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে একদিনের জন্য আবারও মুলতবি করা হয়েছে।
বুধবার সকাল ১০টায় বিএসএফের আধিকারী সিপি ত্রিবেদীর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের বিচারিক প্যানেল বিচারিক কার্যক্রম শুরু করেন। কিন্তু বিএসএফের বিশেষ আদালতের সহকারি প্রসিকিউটর অসুস্থ থাকায় বিচারিক কাজ মুলতবি ঘোষণা করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিবিসি বাংলাসহ ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যম।
গতবছর ২০১৪ সালের ২২ নভেম্বর আদালতে বিচারিক কাজ চলার সময় অভিযুক্ত অমিয় ঘোষ অসুস্থ হয়ে পড়ায় ৪ মাসের জন্য বিচারিক কার্যক্রম মুলতবি করা হয়। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ- বুধবার ২৫ মার্চ পুনরায় এ বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।
২০১৩ সালের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেয় ভারতের কোচবিহারের বিএসএফের বিশেষ আদালত। পরে বিজিবি-বিএসএফের দ্বি-পাক্ষিক বৈঠকে ফেলানী হত্যার পুনর্বিচারের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পুনর্বিচার শুরু করে বিএসএফ। ২০১৪ সালের ১৭ নভেম্বর ফেলানীর বাবা নুর ইসলাম আদালতে অমিয় ঘোষকে অভিযুক্ত করে পুনরায় সাক্ষ্য প্রদান করে তার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেন।
উল্লেখ, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার অনন্তপুর সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া পাড় হওয়ার সময় বিএসএফের গুলিতে নির্মমভাবে প্রাণ হারায় কিশোরী ফেলানী। এ হত্যাকাণ্ডে দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমসহ মানবাধিকার কর্মীদের মাঝে সমালোচনার ঝড় উঠে। পরে ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট বিএসএফের বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যার বিচার কাজ শুরু হয়।