নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলায় শনিবার বাসচাপায় পোশাক শ্রমিক নিহত হওয়ার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেন ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা।
সকাল সাড়ে ৭টা থেকে চলা এ অবরোধে মহাসড়কে কয়েক হাজার যানবাহন আটকে পড়ে।
নিহত শ্রমিক আমান হাওলাদার (১৯) চৈতি কম্পোজিট নামের একটি পোশাক কারখানায় প্রিন্টিংয়ের কাজ করতেন। ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় তার বাড়ি। রাস্তা পার হওয়ার সময় ঢাকা-সোনারগাঁও রুটের ‘স্বদেশ পরিবহন’ নামের একটি বাস তাকে চাপা দেয়।
প্রত্যক্ষদরর্শীদের উদ্ধৃত করে আমাদের সংসাদদাতা জানিয়েছেন, চৈতি কম্পোজিটের শ্রমিকেরা মহাসড়কের ওপর লাশ রেখে বিক্ষোভ করেন। তারা চাপা দেয়া বাস ও একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের এক সাংবাদিকের মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছেন। কমপক্ষে ২৫টি যানবাহনে ভাঙচুর করা হয়। সকাল থেকে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।
এক শ্রমিকের দাবি করেন, কিছু দিন পর পর সড়ক দুর্ঘটনায় তাদের শ্রমিক মারা যান। কিন্তু কোনো বিচার হয় না। নিহত শ্রমিকের পরিবার কোনো ক্ষতিপূরণ পায় না। এ কারণে তারা অবরোধ করেন।
সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম বলেন, শ্রমিক নিহত হওয়ার পর থেকে ক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা মহাসড়ক অবরোধ করেন। তাদের সরিয়ে দিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঁদানে গ্যাস ও ফাঁকা গুলি চালানো হয়েছে। অতিরিক্ত পুলিশকে খবর দেয়া হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।