ফরিদপুরের ভাঙ্গায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে বুধবার যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে ২৬ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৯ জন।
নিহতদের মধ্যে ৮ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এরা হলেন : গোপালগঞ্জের মকসুদপুরে সফিকুল, পটুয়াখালী সদরের রেজাউল, খেপুপাড়ার শাহিন ও আসমা, কলাপাড়ার আমেনা ও হেলাল, বরিশালের সূর্য বেগম এবং বানারীপাড়ার আফজাল হোসেন। এদের মধ্যে সফিকুল ওই বাসের সুপার ভাইজার, বাকিরা ওই বাসের যাত্রী।
হাইওয়ে পুলিশ মাদারীপুর জোনের এএসপি বেলাল হোসাইন বলেন, ঢাকা থেকে পটুয়াখালী যাওয়া সময় সোনার তরী পরিবহনের একটি নৈশকোচ রাত দেড়টার দিকে ভাঙ্গার পূর্ব সদরদী এলাকায় পৌঁছালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। চালক ঘুমিয়ে পড়লে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে খাদে পড়ে যায়। এতে বাসটি ভেঙে দুমড়ে -মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই গাড়ির চালক, হেলপার ও সুপারভাইজারসহ ২০ জনের মৃত্যু হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৩ জন ও ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়। আহত ১৯ জনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
এ ঘটনায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুর রশীদকে প্রধান করে ৩ সদস্যের বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।