ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ কুমিল্লা শহর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম (৩৬) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
রোববার সকাল ৯টায় কুমিল্লা শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি মারা যান।
গতকাল শনিবার কর্মিসভা শেষ করে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক চলে যাওয়ার পরপরই বিকেলে কুমিল্লা নগরের কান্দিরপাড় এলাকায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গোলাগুলি, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহর ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলামসহ অন্তত পাঁচ জন আহত হন।
কুমিল্লা শহর ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুলের নেতৃত্বে একটি পক্ষ কুমিল্লা-৬ আসনের সাংসদ আ ক ম বাহাউদ্দিনের অনুসারী বলে জানা গেছে। আর সাধারণ সম্পাদক সুমন দাসের নেতৃত্বে অপর পক্ষ রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হকের অনুসারী।
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জালালউদ্দিন আহমেদ বলেন, কর্মিসভা শেষে রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের অনুসারীরা ছাত্রলীগের অপর পক্ষ সাংসদ আ ক ম বাহাউদ্দিনের অনুসারীদের ওপর হামলা চালায়। এতে সাইফুল গুরুতর আহত হয়ে মারা যান।
শহর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুমন দাস, কর্মীসভার শুরু হলে সাংসদের অনুসারীরা তাদের টাউন হলে প্রবেশে বাধা দেয়। সভা শেষে উভয় পক্ষের কর্মীদের মধ্যে ঝামেলা হয়। এর মধ্যে গোলাগুলি হয়।
ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষের সত্যতা নিশ্চিত করে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, গতকাল বিকেলে হামলায় সাইফুল ইসলাম গুলি, ধারালো অস্ত্রের কোপে ও লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন।
আজ সকাল ৯টায় তিনি মারা যান। ময়নাতদন্তের জন্য সাইফুলের মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।