কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া, কটিয়াদী, কুলিয়ারচর ও বাজিতপুরে সোমবার কালবৈশাখী ঝড়ে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। কয়েকটি ইউনিয়নে কয়েক হাজার হেক্টর জমির ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘরের চাল উড়ে গেছে, উপড়ে গেছে গাছ-পালা।
ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে নাটোরে বোরো ধান ও আমসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কৃষি বিভাগের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে জেলার ১২৫০ হেক্টর জমির ধানগাছ হেলে পড়েছে।
কৃষকরা বলেন, ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ আরো অনেক বেশি।
এছাড়া ভৈরবের শ্রীনগর, আগানগর, সাদেকপুর ও শিমুলকান্দি এবং নরসিংদীর শিবপুর, মনোহরপুর ও বেলাবোতে কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বহু কাঁচা বাড়িঘর, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ফসলী জমির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
এর আগে শনিবার বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ে ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জে মারা যান আরও ৯ জন। ঝড়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন।
কালবৈশাখী ঝড়ে ময়মনসিংহের ত্রিশাল, ফুলবাড়ীয়ায় ও মুক্তাগাছায় গাছ চাপায়, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ও বজ্রপাতে ৪ জন মারা যায়। আহত হয় অনেকে।
ঝড়ে জেলার বিভিন্ন এলাকায় কয়েকশ কাঁচা ঘর-বাড়ি বিধস্ত হয়, গাছপালা উপড়ে যায় এবং ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।