সাভারের আশুলিয়ায় বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে ডাকাতির ঘটনায় আহত চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইয়ুব আলীর (৭০) নামে আরো একজন মারা গেছেন।
শুক্রবার রাতে সাভার এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি। এ নিয়ে ডাকাতির ওই ঘটনায় মোট ৯ জনের মৃত্যু হলো।
এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক রেজাউল করিম বলেন, আইয়ুব আলী পেটে ও বুকে গুলি এবং ধারালো অস্ত্রের আঘাত নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত: মঙ্গলবার দুপুরে কমার্স ব্যাংকের কাঠগড়া শাখায় অস্ত্র ও বোমা নিয়ে ডাকাতরা হানা দেয়। তারা ব্যাংকের ব্যবস্থাপক, নিরাপত্তারক্ষীসহ তিনজনকে হত্যা করে ক্যাশ থেকে টাকা নিয়ে পালানোর সময় স্থানীয়রা প্রতিরোধে ৮ জন মারা যান।
এ সময় ডাকাতদের গুলি ও বোমায় মারা যান তিন জন। জনতার ধাওয়ার মুখে সন্দেহভাজন ডাকাতদের দুজন মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গেলে গণপিটুনিতে নিহত হন তাদের একজন। ওই রাতেই হাসপাতালে আরেকজনের মৃত্যু হয়।
পুলিশ ধারণা, ডাকাতি নয়, হত্যা ও নাশকতা চালিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টিই ছিল ওই ঘটনার পেছনে মূল উদ্দেশ্য। এর সঙ্গে জঙ্গি কর্মকাণ্ডের সম্পৃক্ততা থাকতে পারে বলেও পুলিশ কর্মকর্তাদের সন্দেহ।
ঘটনার পরপরই জনতার হাতে ধরা পড়া সাইফুল ইসলাম নামের এক ডাকাতের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে বোরহান উদ্দিন নামে আরেকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
আর জিজ্ঞাসাবাদে তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে বৃহস্পতিবার রাতে টঙ্গীর সাতনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বাবুল সরদার ও মিন্টু প্রধান নামে আরও দুইজনকে। তারা জঙ্গি গোষ্ঠীর সদস্য বলে পুলিশ কর্মকর্তাদের দাবি।