শ্রমিক নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার ২০০৪ সালের এ দিনে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন। ২০০৫ সালে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে এ মামলার রায় হলেও ১০ বছরেও তা কার্যকর হয়নি। দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবি গাজীপুরের মানুষের।
মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক ও রাজনীতিবিদ আহসানুল্লাহ মাস্টার বেশি পরিচিত ছিলেন শ্রমিক নেতা হিসেবেই। স্থানীয় সরকার নির্বাচন থেকে শুরু করে জাতীয় সংসদ, প্রতিটি নির্বাচনেই জয়ী হয়েছেন বিপুল ভোটে। দু'দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন গাজীপুর-২ আসন থেকে।
২০০৪ সালের সাত মে তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় আহসান উল্লাহ মাস্টারকে। ক্ষোভে ফেটে পড়ে গাজীপুরের মানুষ।
২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল এ মামলার রায় হয়। রায়ে মামলার প্রধান আসামি বিএনপি নেতা নূরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ জনের ফাঁসি এবং ছয় জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড হয়। প্রধান আসামিসহ ১৭ জন কারাভোগ করছেন। বাকি ১১ জন পলাতক।
ছেলের কবরের পাশে আজো নীরবে কাঁদেন মা রোছমতন্নেছা। হত্যাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেখে যেতে চান তিনি।
রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন আহসানুল্লাহ মাস্টারের ছেলে, সাংসদ মোহাম্মদ জাহিদ আহসান রাসেল।