অবশেষে পদ্মা সেতুর জন্য দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলাখনি থেকে পাথর কেনা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ৬০ হাজার টন পাথর কেনা হবে। পাথরের মান নিশ্চিত হওয়ার পরই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এতে, লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে দেশের একমাত্র এই পাথর খনি। অন্যদিকে, আমদানি না করে পদ্মা সেতুর নির্মাণে দেশের খনি থেকেই পাথর সংগ্রহ করায় সাশ্রয় হবে বৈদেশিক মুদ্রা।
বাংলাদেশের একমাত্র পাথর খনি দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি। ২০০৫ সালে এ খনি থেকে উৎপাদন শুরু হয়। ভালমানের পাথর হলেও বিক্রি আশানুরুপ না হওয়ায় প্রায় ২০০ কোটি টাকা লোকসান হয় এ খনিতে। কিন্তু এখন লাভের সম্ভাবনা সৃস্টি হয়েছে।
গুণগত মান পরীক্ষার পর এ খনি থেকে পদ্মা সেতুর জন্য পাথর কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণে প্রয়োজন হবে ৭০ লাখ মেট্রিক টন পাথর। ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পাথর এ খনি থেকে কেনা হবে বলে জানিয়েছে পদ্মা সেতু কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে ৬০ হাজার টন পাথরের সরবরাহ চেয়েছে তারা।
তবে, সেতু নির্মাণের পুরো পাথরের চাহিদা এই খনি থেকে পূরণ করা যাবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকার কারণেই আপাতত ৩০ শতাংশ পাথর কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে। তব মধ্যপাড়া গ্র্যানাইট মাইনিং কোম্পানির কর্মকর্তারা শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, তারা সেতু কর্তৃপক্ষের চাহিদা অনুযায়ী পাথর সরবরাহ করতে পারবেন।
পদ্মা সেতু নির্মাণে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনির পাথর ব্যবহারের সিদ্ধান্তে একদিকে খনিটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে। অন্যদিকে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে সাশ্রয় হবে বৈদেশিক মুদ্রা।