সুন্দর বনের ভেতর দিয়ে নৌযান চলাচল বন্ধের জন্য চালু হতে যাচ্ছে মংলা-ঘষিয়াখালি চ্যানেল। জুন মাসের মধ্যে চ্যানেলটি চালু হবে বলে জানিয়েছে অভ্যন্তরিন নৌ বন্দর কর্তৃপক্ষ। চ্যানেলটির খনন কাজ প্রায় ৫০% শেষ হয়েছে। এরই মধ্যে চ্যানেলটি দিয়ে ছোট নৌযান চলাচল শুরু করেছে।
তবে, স্থানীয়দের দাবি, শুধু খনন করলেই চলবে না, নাব্যতা ধরে রাখতে দখল মুক্ত করতে হবে সংযুক্ত খালগুলো।
মংলা বন্দরের আমদানি ও রপ্তানি পন্য নৌপথে সরবরাহের জন্য আগে ঘষিয়াখালি চ্যানেল ব্যবহার করা হত। তবে, নাব্যতা সঙ্কটের কারণে তা বাদ দিয়ে সুন্দরবনের ভিতরের নৌরুট ব্যবহার করা হচ্ছে।
বন সুরক্ষার জন্য ২০১৪ সালের ২২মে মাসে মংলা-ঘষিয়াখালি চ্যানেল খনন কাজ শুরু হলেও অত্যন্ত ধীর গতিতে চলে খনন কাজ। এরই মধ্যে গত বছরের ৯ ডিসেম্বর শ্যালা নদীতে তেলবাহী ট্যাংকার ডুবে যাওয়ার পর থেকেই দ্রুত গতিতে ঘষিয়াখালি চ্যানেল খননের কাজ জোরদার করা হয়।
খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো.আবদুস সামাদ বলেন, ২২ কিলোমিটার দীর্ঘ এ চ্যানেল খননে ব্যায় হচ্ছে ২৩০ কোটি টাকা। ১২০ ফুট চওড়া এ চ্যানেলটি পর্যায়ক্রমে ৩৩০ ফুট করা হবে। আর এর গভীরতা হবে ১৩ ফুট।
তবে, স্থানীয়রা বলছেন, চ্যানেলটি সচল রাখতে সংযুক্ত খালগুলো দখলমুক্ত করতে হবে।
নিয়মিত ড্রেজিং এর মাধ্যমে চ্যানেলটি সচল রাখার পরামর্শ দেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিচালক ড. সুলতান আহমেদ।