দিনাজপুর সদর উপজেলার নূরানী তালিমুল কোরআন হাফিজিয়া কওমি মাদ্রাসায় চুরির অপবাদ দিয়ে নয় বছরের এক ছাত্রকে অমানুষিক নির্যাতন অভিযোগ উঠেছে তিন শিক্ষকের বিরুদ্ধে। সহপাঠীদের মাধ্যমে খবর পেয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে সাঈদকে উদ্ধার করে তার বাবা-মা।
অভিযোগ উঠেছে, চুরির অভিযোগ এনে আবু সাঈদকে প্রচন্ড প্রহার করেন মাদ্রাসা শিক্ষক হাফেজ মেহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, মওলানা রিয়াজুল ইসলাম ও মওলানা সরিফুল ইসলাম। প্রায় চার ঘণ্টার অমানুষিক নির্যাতনের পর ছাত্রটি জ্ঞানও হারিয়ে ফেলে।
সোমবার সহপাঠীদের মুখে খবর পেয়ে মাদ্রাসায় গিয়ে অসুস্থ ছেলেকে উদ্ধার করে বলে জানিয়েছেন আবু সাঈদের বাবা-মা। গুরুতর অবস্থায় ওই দিনই তাকে ভর্তি করা হয় দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।
মঙ্গলবার বিকালে অভিযুক্ত ওই তিন শিক্ষককে আটক করে পুলিশ। এদিকে, তাদের যথোপযুক্ত বিচারের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ ঘটনায় মাদ্রাসার সভাপতি মাজেদুর রহমান জুয়েলকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।