ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরাম হত্যার এক বছর পেরিয়ে গেলেও আজও শুরু হয়নি এ মামলার বিচার কাজ। ৩৫ জন গ্রেপ্তার হলেও এখনো পলাতক চার্জশিটভূক্ত ২১ আসামি। নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের বিচার বিলম্বিত হওয়ায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।
২০১৪ সালের এই দিনে ফেনীর ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একরামুল হক কয়েকজন সহযোগীসহ গাড়িতে করে ফুলগাজী যাচ্ছিলেন। শহরের বিলাসী হোটেলের সামনে তার গাড়ি লক্ষ্য করে দু'পাশ থেকে হঠাৎ এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে দুর্বৃত্তরা। প্রাণরক্ষায় দ্রুতবেগে চালালে রাস্তার পাশে ডিভাইডারের ওপর গাড়িটি আটকে যায়। দুর্বৃত্তরা এসে একরামুলকে কাছ থেকে গুলি করে। এরপর দুর্বৃত্তরা গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিলে অন্যরা গাড়ি থেকে নামতে পারলেও গুলিবিদ্ধ একরাম বের হতে পারেননি। গাড়ির মধ্যেই আগুনে দগ্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাই বাদি হয়ে, স্থানীয় বিএনপি নেতা মাহাতাব উদ্দিন আহম্মেদ চৌধুরী মিনারের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৩০/৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এ মামলায় ৫৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিটও দেয় পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয় জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির আদেলসহস ৩৫ জনকে। এর মধ্যে ১৬ আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছে। পলাতক ২১ আসামির মালামাল ক্রোকের আদেশ দিয়েছে আদালত।
একরাম হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচারের দাবি পরিবার ও এলাকাবাসীর।