ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দ্বাদশ শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনার চার মাস পেরিয়ে গেলেও এখনও আটক হয়নি অভিযুক্ত রাসেল। উল্টো প্রকাশ্যেই ধর্ষিতা ও তার পরিবারকে মামলা তুলে না নিলে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে ধর্ষক। এতে আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে পরিবারটি।
এদিকে, আসামি ধরার কথা বলে পুলিশ পরিবারটির কাছে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। সেই সঙ্গে, অপরপক্ষ থেকে টাকা নিয়ে চার্জশিট থেকে আসামিদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে বলেও দাবি করছে পরিবারটি।
অভিযোগ উঠেছে মেয়েটির কলেজে যাওয়া-আমার পথে একই গ্রামের বখাটে যুবক রাসেল তাকে উত্যক্ত করতো। প্রেম ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়েও ব্যর্থ হলে গত ২৪ জানুয়ারির মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন সহযোগিকে নিয়ে রাসেল মেয়েটিকে অপহরণ করে গৌরীপুর নিয়ে যায়। রাতেই রাসেলের বাসায় মেয়েটিকে নিয়ে গিয়ে চলে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। কয়েকদিন পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় মেয়েটির পরিবার রাসেলের বাসা থেকে তাকে উদ্ধার করে।
গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি শালিসির মাধ্যমে মীমাংসা করতে চাইলে রাসেল ও তার পরিবার তাতে অস্বীকৃতি জানায়।
পরে, মেয়েটির বাবা আব্দুল বারেক অভিযুক্ত রাসেলসহ চারজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে।
এদিকে, ঘটনাটিকে সাজানো বলে দাবি করছেন অভিযুক্ত রাসেলের বাবা।
এছাড়া মামলা চালানোর জন্য পুলিশ বাদী পক্ষের কাছ থেকে বড় অঙ্কের টাকা নিলেও এখনও আসামিদের আটক করেনি। উল্টো, আসামি পক্ষের থেকে টাকা নিয়ে চার্জশীট থেকে তাদের নাম বাদ দেয়ারও অভিযোগ উঠেছে।
তবে ঈশ্বরগঞ্জের পুলিশ মো: বোরহান উদ্দিন বলেন, তদন্ত অনুযায়ীই চার্জশীট করা হচ্ছে।