দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রামে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৫ হাজারটি কন্টেইনার হ্যাণ্ডেলিং হয়ে থাকে। আর চট্টগ্রাম বন্দরের ৩৩০ একর জমিতে কন্টেইনার ধারণ ক্ষমতা ৩৬ হাজার ৩৫৭টি। সাধারণভাবে এ অবকাঠামোতে চট্টগ্রাম বন্দর মোটামুটিভাবে কাজ চালিয়ে নিচ্ছে।
সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরে চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ব্যবহারের চুক্তির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ট্রান্সশিপমেন্ট শুরু হয়েছে। তবে বন্দর ব্যবহারের চুক্তির পর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্রম বাড়লে এ জায়গা ও অবকাঠামোতে বন্দর কাজ চালিয়ে নিতে পারবে কিনা।
এ ব্যাপারে বন্দর ব্যবহারকারী ও ব্যবসায়ীরা বলেন, ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম বন্দরের কন্টেইনার হ্যাণ্ডলিং বাড়লে বন্দরের বর্তমান যে অবকাঠোমো আছে তাতে সঙ্কটে পড়তে পারে বন্দর।
আবার ভারতের সঙ্গে ট্রান্সশিপমেন্ট করছেন এমন ব্যবসায়ীরা বলেন, ভবিষ্যতে তারা মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গেও ট্রান্সশিপমেন্টে যাবেন।
এদিকে, মিন সিংক লাইনস বাংলাদেশ লি: এর জেনারেল ম্যানেজার খায়রুল ইসলাম বলেন, ২০১৩ -১৪ সালের ৮ মাসে চট্টগ্রাম বন্দরে ১০ লাখ ৫২ হাজার ৭৬০টি কন্টেইনার হ্যাণ্ডলিং হয়। পরের অর্থবছরের ৮ মাসে তা বেড়ে দাড়ায় ১১ লাখ ৮৭ হাজার ২৭২টি। সে হিসেবে পরের ৮ মাসে তা আরো বাড়বে।
বাংলাদেশ ফ্রেইট ফরোয়াডার্স এশোসিয়েশনের পরিচালক খায়রুল আলম সুজন ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি মাহবুবুল আলম বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সম্প্রসারণ কাজ চলছে। এ সম্প্রসারণ কাজ আরো দ্রুতগতিতে এবং পরিকল্পিতভাবে হওয়া দরকার বলেও জানান তারা।