কুড়িগ্রামে-গাইবান্ধায় নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় শনিবার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে।
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ায় তলিয়ে গেছে শতাধিক চর ও দ্বীপচর। এসব এলাকার ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। কাঁচা সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়ে পড়েছে।
জেলার কুড়িগ্রাম সদরের ৩টি, উলিপুর উপজেলার ৪টি, চিলমারী উপজেলার ৫টি, রাজিবপুর উপজেলার ৩টি ও রৌমারী উপজেলার ৪ টিসহ ১৯ টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপদসীমার ১৭ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে নুন খাওয়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ১৫ সেন্টিমিটার এবং কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর টানা বর্ষণে অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে গাইবান্ধার নদনদীগুলোতে।
এদিকে, ব্রহ্মপুত্র নদের ফুলছড়ি পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করে ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
ঘাঘট, তিস্তা ও করতোয়ার পানি বিপদসীমা ছুই ছুই করছে। নদ নদীগুলোতে অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বন্যা ও ভাঙন আতঙ্ক দেখা দিয়েছে গ্রামবাসীদের মধ্য।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভাঙন ঠেকাতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।