টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানি বেড়ে উত্তরাঞ্চলে পাঁচটি জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ।
জেলাগুলো হলো: কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও বগুড়ার বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল।
কুড়িগ্রামে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদীর পানি বাড়ছে।
সদর উপজেলা, উলিপুর, চিলমারী, রৌমারী, রাজারহাট, ফুলবাড়ী, ও রাজীবপুর উপজেলায় বন্যা কবলিত ৪২টি ইউনিয়নের কমপক্ষে ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্যানুযায়ী, গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র নদের ফুলছড়ি পয়েন্টের পানি বিপদসীমার ২১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এলাকাবাসী জা জানান , বন্যা ও নদী ভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং জামালপুরে ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
এতে জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের ২০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।