দেশের বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে—তবে এখোন হাজারমানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষ।
সোমবার কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, লালমনিরহাট ও বগুড়ায় বিভিন্ন নদ-নদীর পানি কিছুটা কমেছে।
এসব জেলায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে কোথাও কোথাও পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। তিস্তা, যমুনা, ব্রহ্মপূত্র, ধরলাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনার পানি ৫ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
তবে বিকল্প বাঁধের মেরামত না হওয়ায় লোকালয়ে পানি ঢুকে ১৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। নষ্ট হয়ে গেছে ফসলের বীজতলা ও সবজি বাগান।
গাইবান্ধ্যায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ৭ সেন্টিমিটার কমে বিপদসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা, ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি বিপদসীমার অনেক নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বিপদসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে উজান থেকে নেমে আসা আকস্মিক পাহাড়ি ঢলে এখনো তীরবর্তী প্রায় ১৫ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছে।
কুড়িগ্রামে অন্যান্য নদীর পানি হ্রাস পেলেও তিস্তার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।
দুধকুমার নদীর প্রবল স্রোতে ভুড়ুঙ্গামারী সোনাহাট ব্রিজের পাইকের ছড়া এলাকায় সংযোগ সড়কের ভাঙন দেখা দেয়ায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। জেলার সাত উপজেলার ২৪টি ইউনিয়নের অন্তত ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
এদিকে, শেরপুরের সীমান্তবর্তী ঝিনাইগাতী উপজেলায় পাহাড়ী ঢলে সৃষ্ট বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। মহারশি নদীর পানি কিছুটা কমলেও নিম্নাঞ্চলে ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।