গত চার বছরে জয়পুরহাট চিনিকলে অবিক্রীত চিনির পরিমান দাঁড়িছে ৯ হাজার মেট্রিক টন। এতে আর্থিক সংকটে পড়ায় গত ৩ মাস ধরে শ্রমিকদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে পারছে না মিল কর্তৃপক্ষ।
জয়পুরহাট চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস সালাম বলেন, চিনি কলের আর্থিক সংকট যেন তীব্রতর না হয় সে জন্য খুচরা বাজারে চিনি বিক্রি শুরু করেছে।
জয়পুরজহাটে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম চিনিকল এটি। গত চার বছর মিলটিতে চিনির উৎপাদন অব্যাহত থাকলেও বাজারে চিনির দাম কম থাকায় অবিক্রিত থেকে গেছে সাড়ে ৯ হাজার মেট্রিকটন চিনি। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩৫ কোটি টাকা।
এ অবস্থায় আর্থিক সংকট দেখা দিয়েছে মিলটিতে। ফলে গত ৩ মাস যাবৎ মিলের প্রায় ১২শ শ্রমিকের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে পারছেনা মিল কর্তৃপক্ষ। এতে পরিবার পরিজন নিয়ে চরম আর্থিক সংকটে পরেছে শ্রমিকরা।
দীর্ঘদিন ধরে অবিক্রিত থাকা চিনি গুদামে পড়ে থাকায় রং নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি এর গুনগত মান নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন, শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের নেতারা।