সুনামগঞ্জ টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ড ট্রাজেডির ১০ বছরেও স্বাভাবিক হয়ে উঠেনি গ্যাসফিল্ড এলাকা। ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামবাসীর জন্য কোনো পুনর্বাসনের ব্যবস্থা হয়নি। বসতবাড়ি, স্কুলসহ বিভিন্ন জায়গায় গ্যাস নিঃসরণ হওয়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় আতঙ্কে দিন কাটছে এলাকাবাসীর।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, সুনামগঞ্জে অবস্থিত টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ডে ২০০৫ সালের ৭ জানুয়ারি ও ২৪ জুন প্রোডাকশন কূপের রিগ ভেঙে বিকট শব্দ ও কম্পনের মধ্য দিয়ে দুই দফা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। কূপ থেকে সৃষ্ট আগুনের কুণ্ডলি মাটি থেকে ২০০ থেকে ৩০০ ফুট পর্যন্ত ওঠা-নামা করে। এতে গ্যাসের রিজার্ভ ধ্বংসের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় টেংরাটিলাসহ আশপাশের আজবপুর, গিরিশনগর, কৈয়াজুরি ও শান্তিপুরের মানুষ।
বিস্ফোরণের পর গ্যাসফিল্ডের দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠান নাইকো ক্ষতিগ্রস্থদের সামান্য ক্ষতিপূরণ দিয়ে সব সরঞ্জামাদি রেখে চলে যায়। সেই বিস্ফোরণের ক্ষত এখনো বয়ে বেড়াতে হচ্ছে এসব এলাকার মানুষকে।
গ্যাসফিল্ডটি দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত থাকলেও, সম্প্রতি গ্যাস নিস্বরণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় আতঙ্কের মধ্যে বসবাস করতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
এদিকে, পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্ধৃতি দিয়ে জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, গ্যাস নিঃসরণ হলেও তা মানুষের জন্য হুমকির কারণ নয়। নাইকোর বিরুদ্ধে মামলা চলায় কোনো ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।