দিনাজপুরের বিরামপুরে চোরাকারবারীদের সঙ্গে মঙ্গলবার বিকেলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের গোলাগুলির ঘটনায় ২ জন মারা গেছেন। এ ঘটনায় কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন, বিরামপুর পৌর এলাকা পূর্ব জগনাথপুর রেল কলোনী এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে সুলতান (২৫) এবং একই এলাকার শুকুর আলীর ছেলে শাহীন (৩০)।
পুলিশকে উদ্ধৃত করে আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, বিরামপুর রেলওয়ে স্টেশনে রূপসা আন্তঃনগর ট্রেনে অভিযান চালিয়ে বিজিবি ভারতীয় কাপড় আটক করে।
পরে চোরাকারবারীরা একত্রিত হয়ে বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলা করে ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। সংঘর্ষের একপর্যায়ে বিজিবির এক সদস্যকে ধরে নিয়ে যায় চোরাকারবারীরা। এ সময় আত্মরক্ষার্থে বিজিবির সদস্যরা চোরাচালানীদের লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি বর্ষণ করে।
এতে বিরামপুর উপজেলার পূর্ব জগন্নাথপুর গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে শাহীন (২৮) ও একই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে সুলতান (৩০) গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।
এ খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বিরামপুর উপজেলার কলাবাগান নামক এলাকায় দিনাজপুর-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
বিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিরুজ্জামান বলেন, বিজিবির গুলিতে ২ জন মারা গেছেন। তাদের মরদেহ বিরামপুর হাসপাতালে রাখা হয়েছে।
দিনাজপুর-২৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল কুরবান আলী বলেন, চোরাচালানীর কাপড় ধরে নিয়ে আসার সময় বিজিবি সদস্যদের ওপর হামলা করে চোরাচালানীরা। এ সময় আত্মরক্ষার্থে গুলি চালানো হয়েছে।