গত কয়েকদিনের ভারি বর্ষণ আর প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে খাগড়াছড়ির পাহাড়ি এলাকাগুলো এখন ঝুঁকিতে। এরমধ্যে মোল্লাপাড়া, সবুজবাগ, শালবল, ধর্মঘর, মোহাম্মদপুর এলাকা রয়েছে বেশী ঝুকিতে। এছাড়াও, ডিসি বাংলো পাহাড়, সবুজবাগ, ধর্মঘরসহ বিবিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনাও ঘটেছে। এতে, জনমনে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক। তবুও, উপায় না থাকায় ঝুঁকি নিয়েই বসবাস করছেন তারা।
অথচ, ঝুঁকিপূর্ণভাবে পাহাড়ে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের উদ্যোগ নিতে দেখা যাচ্ছে না। এ নিয়ে পৌর কর্তৃপক্ষ ও জেলা প্রশাসনের রয়েছে পরস্পর বিরোধী অবস্থান।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানান পৌর মেয়র মো: রফিকুল আলম। তবে, জেলা প্রশাসনের সমন্বয়হীনতার কারণে ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের সরানো সম্ভব হচ্ছে না বলেও জানান তিনি।
আর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসরতদের নিরাপদে সরিয়ে নিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান।
খাগড়াছড়ি প্রতিনিয়ত পাহাড় কেটে পাহাড়ের পাদদেশে নির্মাণ করা হচ্ছে বাড়িঘর। ফলে, খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধসের ঝুঁকি দিন দিন বেড়েই চলেছে। তবে, পাহাড় কাটা বন্ধ ও পাহাড়ের ঢালে বসতি স্থাপন দ্রুত বন্ধের উদ্যোগ না নিলে যে কোন সময় প্রানহানির আশঙ্কা স্থানীয়দের।