কিশোরগঞ্জের প্রায় আড়াইশো বছরের পুরোনো শোলাকিয়া মাঠে এবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে ঈদুল ফিতরের ১৮৮তম ঈদের জামাত। দেশের সবচেয়ে বড় ঈদের জামাতও হয় এ মাঠে।
জামাত শুরুর ১৫ মিনিট আগে তিনটি, ৫ মিনিট আগে দুইটি এবং ১ মিনিট আগে একটি শর্টগানের গুলি ছোড়ে জামাতের প্রস্তুতির সংকেত দেয়া হয়। মাঠে বালু ফেলা, দেয়ালে রং করাসহ শেষ হয়েছে সংস্কারের কাজ। গত বছরের মতো এবারো এ ময়দানে দেশ-বিদেশ থেকে আশা মুসুল্লিদের ঢল নামবে বলে মনে করছেন অনেকেই।
মুসুল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য এবারও থাকছে শোলাকিয়া স্পেশাল ট্রেন সার্ভিস।
আর এ বছর জামাতে ইমামতি করবেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আলেম মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদ।
এ ময়দানের ঈদের জামাত নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ময়দান ও আশপাশের এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত থাকছে র্যা ব ও পুলিশ বলে জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার মো: আনোয়ার হোসেন খান।
জেলা প্রশাসক এস. এম. আলম বলেন, জনশ্রুতি রয়েছে, কোন এক ঈদের জামাতে এ মাঠে সোয়া লাখ মুসুল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করে। সেই থেকে এর নাম হয় ‘সোয়া লাখিয়া’। বর্তমানে যা শোলাকিয়া নামেই পরিচিত।
১৭৫০ সালে শোলাকিয়া ঈদগাহের জন্য ৭ একর জমি ওয়াকফ করেন ঈশাখাঁর বংশধর দেওয়ান মান্নান দাদ খান বলেও জানান তিনি।