ছিটমহল বিনিময়ের আনুষ্ঠানিকতাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকাল থেকেই ছিল উৎসবের আমেজ। শনিবার দুপুর থেকেই শুরু হয় উৎসব, নানা অনুষ্ঠান ও আনন্দ-আয়োজন। সবার হাতে হাতে বাংলাদেশের পতাকা।
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে বহু প্রতিক্ষিত ছিটমহল বিনিময় হয়ে গেল। এরমধ্যে কুড়িগ্রামের ১২টি, লালমনিরহাট ৫৯টি, পঞ্চগড়ের ৩৬টি ও নীলফামারীর ৪টিসহ মোট ১১১টি ছিটমহলের ৪১ হাজার ৪৪৯ জন বাসিন্দা পেলেন বাংলাদেশের নাগরিকত্ব। এদিকে, ভারতের অভ্যন্তরে থাকা বাংলাদেশি ৫১টি ছিটের বাসিন্দারা এখন থেকে ভারতীয় নাগরিক।
শুক্রবার সকাল থেকেই ছিটমহলগুলোতে উৎসবের আমেজ। কুড়িগ্রামের দাসিয়ার ছড়া ও পঞ্চগড়ের কুটিমাড়ি ছিটমহলে দুপুরে মসজিদ ও মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় আনুষ্ঠানিকতা।
কুড়িগ্রাম ও পঞ্চগড়ের পাশাপাশি লালমনিরহাটের ছিটমহলগুলোতে দিনভর আয়োজন ছিলো নৌকাবাইচ, ঘোড়-দৌড়, লাঠি খেলা। রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি পাওয়ার মাহেন্দ্রক্ষণকে উৎসবের আমেজে বরণে ছিল নানা প্রস্তুতি।
এদিকে, বাংলাদেশের মতো ভারতীয় ভূখণ্ডের ছিটমহলবাসীরাও নিজেদের আত্মপরিচয় ফিরে পাওয়ার আনন্দে আত্মহারা। তবে ভারতের ভেতরে থাকা ছিটের কেউই বাংলাদেশের নাগরিক হতে আগ্রহ প্রকাশ করেনি।
ভারত বড় দেশ, নাগরিক হিসেবে বেশি সুযোগ-সুবিধা মিলবে এ আশাতেই হয়তো তারা সেদিকে ঝুঁকেছেন।