ঘূর্ণিঝড় কোমেনের প্রভাবে গত কয়েক দিন টানা বৃষ্টিপাত হয়েছে সারা দেশে। পাশাপাশি জোয়ারের কারণে প্লাবিত হয়েছে বিভিন্ন জেলার নিম্নাঞ্চল। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। পানিতে তলিয়ে গেছে বসত বাড়ি, রাস্তাঘাট, স্কুলসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা।
বাড়ি-ঘর তলিয়ে যাওয়ায় অনেকেই আশ্রয় নিয়েছে খোলা আকাশের নিচে। পানিতে ভেসে গেছে জমির ফসলি, পুকুর ও মাছের ঘের। বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ পানির তীব্র সংকট দেখা দেয়ায় ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে।
জোয়ার পানির প্রভাবে বন্যা দেখা দিয়েছে উপকূলীয় জেলা নোওয়াখালীতে। সুবর্ণচর, হাতিয়ায় জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে ফসলি জমি, হাটবাজার ও স্কুল, কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। সরকারি হিসাবে জেলার সাড়ে ৪ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। এসব এলাকায় রাস্তা-ঘাট, সড়ক মহাসড়কের যোগাযোগ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। সরকারি বেসরকারি ত্রাণ সামগ্রী না পাওয়ার অভিযোগ বন্যা কবলিত এলাকার মানুষদের।
তবে, এ অভিযোগ অস্বীকার করছেন নোওয়াখালীর জেলা প্রশাসক বদরে মুনির ফেরদৌস।
জোয়ারের পানির বৃদ্ধি পাওয়া খুলনার ডুমরিয়া উপজেলার ভদ্রা নদীর চাঁদ গড়ের বাঁধ ভেঙ্গে শরফপুর ইউনিয়নের ৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বাড়ি-ঘর, রাস্তা-ঘাট ও সড়ক প্লাবিত হওয়ায় একেবারেই আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে এসব এলাকার মানুষ।
ভোলাতে ভোলা সদর, দোলতখান, মনপুরা ও চরফ্যাশন উপজেলার কমপক্ষে ৬০টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। জেলার পনিবন্দি অনেক মানুষ এখন গাবাদি পশু নিয়ে আশ্রয় নিয়েছে বাঁধের উপর উচু স্থানে।
বিশুদ্ধ পানির অভাবে দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগ।
এদিকে, দুর্গত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের কথা জানালেন ভোলার জেলা প্রশাসক মো. সেলিম রেজা।
বর্ষণের কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে নাটোর পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায়। পানি নিষ্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার তৈরি হয় বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।