টানা বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় যশোরের আমন ধানের বীজতলা ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তলিয়ে যাওয়ায় জমিতে এখন আমন ধান রোপনের আশাই ছেড়ে দিয়েছেন কৃষকরা। এদিকে, মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওড়পাড়েও বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে শতাধিক একর জমির আউশ ও বোর আমন ধান।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, যশোর জেলায় এ বছর এক লাখ ২৫ হাজার ৬০০ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। জমিগুলোতে এখন ধান রোপন শুরু হয়েছে, যা চলবে মধ্য আগস্ট পর্যন্ত। ধান রোপন করতে কৃষকরা ৭ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে বীজতলাও করেন।
তবে এ বছর যশোরে অতিবৃষ্টি হওয়ায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়ে অনেক বীজতলাই নষ্ট হয়ে গেছে। তলিয়ে গেছে আমন ধানসহ শত শত বিঘা জমি।
এদিকে, জলাবদ্ধতায় ফসলের ব্যপক ক্ষতির কথা শিকার করলেন যশোর সদর উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলা।
অতিবৃষ্টিতে বীজতলা নষ্ট হওয়ায় এ বছর চাষযোগ্য সব জমিতে ফসলের আবাদ করতে পাবে না বলে আশঙ্কা কৃষকদের।
এদিকে, টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে মৌলভীবাজারের কাউয়াদীঘি হাওড়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে রাজননগর উপজেলার হাওড়পাড়ের ৪টি ইউনিয়নের অর্ধশতাধিক পরিবার পানিবন্দি রয়েছেন।
গ্রামীন সড়কগুলো ডুবে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। ভেসে গেছে পুকুর, ডোবা ও মাছের ঘের। তলিয়ে গেছে শতাধিক একর জমির আউশ ও বোনা আমন ধান। নষ্ট হয়ে গেছে শতাধিক একর আমনের বীজতলা।
এছাড়া জমি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় রোপা আমনও বুনতে পারছেন না তারা।