প্রবল বর্ষণে কারণে পাহাড় ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাঙামাটির কাউখালীর বেতবুনিয়া ইউনিয়নের ১৮টি গ্রামের শতাধিক পরিবার। এর মধ্যে পুরোপুরি উদ্বাস্তু হয়ে গেছে মহাজন পাড়া নামের একটি পাহাড়ি গ্রামের ১১টি পরিবার। বাড়ি-ঘর হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছে এ সব পরিবারের সদস্যরা।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, পাহাড়ের নীচে বসবাস ছিল বেতবুনিয়া ইউনিয়নের মহাজন পাড়া গ্রামবাসীর। মারমা সম্প্রদায়ের খেটে খাওয়া মানুষগুলো দীর্ঘদিন বাস করছিল এ গ্রামে। একটানা প্রবল বৃষ্টিপাতে ৩১ জুলাই রাতে বিকট শব্দে এ গ্রামের বসত বাড়ির উপর পাহাড়ের চূড়া থেকে ভেঙে পড়ে মাটি।
আগে থেকে লোকজন নিরাপদে সড়ে যাওয়ায় প্রানহানি না হলেও মাটির সঙ্গে মিশে গেছে পুরো গ্রামটি। দুই দফা পাহাড় ধ্বসে আরো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া, মনাই পাড়া, মাষ্টার ঘোনা, কালিছড়ি, শিয়ালবুক্কা, বেনুবনসহ ১৮টি গ্রামের শতাধিক পরিবারের বসতভিটা।
বেতবুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো: সামসুদ্দোহা বলেন, বসতভিটা আর সহায় সম্পদ হারিয়ে দিশেহারা পাহাড়ি মানুষগুলো।
রাঙামাটির জেলা ত্রান ও পূর্ণবাসন কর্মকর্তা বিশ্বনাথ মজুমদার বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনকে ত্রান হিসেবে দেয়া হয়েছে মাত্র ১০ কেজি চাল ও এক হাজার করে টাকা। জেলা ত্রান কর্মকর্তা জানালেন চাহিদা পেলে আরো ত্রান পাঠানো হবে।
বেতবুনিয়ার ভিটেহারা মানুষদের পূর্ণবাসনে পার্বত্য মন্ত্রণালয়ের সহায়তা চাওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য অংসুই প্রু চৌধুরী।