ভাগ্য বদলের আশায় পাম চাষ করে দিশেহারা নড়াইলের পাম চাষীরা। পাম গাছে ফল ধরতে শুরু করলেও কিভাবে পাম বিক্রি বা তেল তৈরি করবেন, তার কোন সঠিক দিক নির্দেশনা পাচ্ছেন না চাষীরা। হতাশ হয়ে পাম গাছের পরিচর্যা করা ছেড়ে দিয়েছেন অনেকেই। আবার অনেক চাষী গাছও কেটে ফেলছেন।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, নড়াইল সদর উপজেলার আগাদিয়া গ্রামের সাইদুর রহমান ২০০৮ সালে গ্রীন অ্যাগ্রো কোম্পানি নামের একটি বেসরকারি সংস্থার কাছ থেকে চড়া দামে ৮৫টি চারা কিনে শুরু করেন পাম চাষ। ৫৭% জমির ওপরে করা ওই বাগানে লক্ষাধিক টাকা ব্যায় করে চারাগুলির পরিচর্যা ও সার-কীটনাশক ব্যবহার করে বড় করে তুলেছেন। দুই বছর থেকে ফলও ধরছে গাছগুলিতে।
উৎপাদিত ফল গ্রীন অ্যাগ্রো কোম্পানিই কিনে নিবে, এমন কথা থাকলেও এখন তারা লাপাত্তা বলে অভিযোগ উঠেছে।
এদিকে কিভাবে, পাম ফল বিক্রি বা ফল থেকে তেল তৈরি করবে এ বিষয়ে কারো কাছ থেকে সহযোগিতা না পেয়ে হতাশ চাষীরা। দিশেহারা চাষীরা এরমধ্যেই পাম গাছের পরিচর্যা ছেড়ে দিয়েছেন। গাছও কেটে ফেলেছেন অনেকে।
এদিকে, বিষয়টি জানতে পেরে সমস্যা সমাধানে কৃষি অধিদপ্তর উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ- পরিচালক শেখ আমিনুল হক।