প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণার দেড় বছর পর অবশেষে দেলদুয়ার উপজেলার ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত এলাসিন সেতু ‘শামসুল হক সেতু’ নামে গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।
তবে এখনও আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক শামসুল হকের নামে কোনো নামফলক দেয়া হয়নি। এতে তার অনুসারী ও আওয়ামী লীগ সমর্থকরা ক্ষুব্ধ ও হতাশ।
দেলদুয়ার ও নাগরপুর উপজেলাবাসীদের দীর্ঘদিনের স্বপ্নের সেতু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন ২০১৩ সালের ১০ অক্টোবর। ৯৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা ব্যায়ে নির্মিত সেতুটি ৫১৫.১২ মিটার দীর্ঘ ও ১০.২৫ মিটার প্রশস্ত।
সেতুটি নির্মাণের ফলে বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার উত্তর ও দক্ষিণের মধ্যে যোগাযোগ সহজতর হয়। এছাড়াও, টাঙ্গাইলের আটটি উপজেলার ৩৫ লাখ মানুষ এ সেতুটি ব্যবহার করে থাকে।
সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. গোলাম জিলানী চলতি বছরের ৯ এপ্রিল রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপন জারি করেন।
যাতে লেখা হয়, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের টাঙ্গাইল সড়ক বিভাগাধীন আরিচা-ঘিওর-দৌলতপুর-নাগরপুর-টাঙ্গাইল আঞ্চলিক মহাসড়কের ৩৯ কিলোমিটারে ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত এলাসিন সেতুর নাম ‘শামছুল হক সেতু’ নামে নামকরণ করেন।
স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, সেতুন নামকরণের গেজেট প্রকাশিত হলেও কোথাও তার নাম নেই। তাই সেতুর দুই পাশে তার প্রতিকৃতি সম্বলিত নামফলক দেয়ার জন্য তিনি সরকারের কাছে দাবি জানান।
তবে সেতুটির নামফলকের ব্যাপারে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি স্থানীয় জেলা প্রশাসন।