গাজীপুরে কালিয়াকৈরে যুবলীগ নেতা মো. রফিকুল ইসলামের হত্যার ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
শনিবার রাতে কালিয়াকৈর থানায় নিহতের বড় ভাই মো. আব্দুল মোতালেব মিয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীসহ ২২ জনকে আসামি করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কালিয়াকৈর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. রাজিব খান বলেন, মামলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আকবর আলী, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মোশারফ হোসেন সিকদার, পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মো. খাত্তাফ মোল্লাসহ ১০ জনের নামোল্লেখ করা হয়।
এছাড়াও অজ্ঞাত পরিচয় আরো ১০-১২ জনকে আসামি করা হয় বলে জানান তিনি কালিয়াকৈর থানার উপ-পরিদর্শক।
তিনি আরো বলেন, ঘটনার রাতে সোহেল ও মোহাম্মদ হোসেন নামের দুই জনকে আটক করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
এদিকে, এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গাজীপুরের কালিয়াকৈরে অর্ধদিবস হরতাল পালন করছে উপজেলা আওয়ামী লীগ। এতে উপজেলায় যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এর আগে শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে রফিকের মৃতদেহ তার নিজ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পথে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। বিকেলেই নিজ বাড়িতে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
শুক্রবার বিকেলে জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠান চলাকালে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হন রফিক। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সোহেল ও মোহাম্মদ হোসেন নামের দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। তবে ওই হত্যার ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।