ভোলায় মেঘনা নদীর কয়েকদিনের ভাঙনে সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের প্রায় ৭০০ কিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন ঠেকাতে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হলেও স্রোতের তোড়ে তা ভেসে যাচ্ছে।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, মেঘনা নদীর গতিপথ পরিবর্তন ও স্রোতের কারণে ভোলা সদরে ইলিশা ইউনিয়নের পুরাতন ফেরিঘাট এলাকা থেকে তালতলী লঞ্চঘাট পর্যন্ত সাড়ে ৪ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে নতুন করে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে।
এতে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে কয়েকশ ঘর-বাড়ি ও দোকানপাট। হুমকির মুখে পড়েছে মসজিদ, মৎস্যঘাট, লঞ্চঘাট, কয়েক হাজার ঘর-বাড়ী ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
ভাঙনের তীব্রতা বাড়ায় অনেকেই ঘরবাড়ী ও প্রয়োজনীয় মালামাল অন্য জায়গায় সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন। অনেকেই সর্বস্ব হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন।
ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানান ভোলার নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল হেকিম।
এদিকে, পদ্মার পানি বেড়ে ফরিদপুর শহর রক্ষা বাঁধে আবারো ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যেই ভাঙ্গনে বিলিন হয়ে মুন্সীডাঙ্গি ও মৃধাডাঙ্গিসহ নদী তীরবর্তী কয়েকটি গ্রামের রাস্তা, ফসলি জমি ও দোকানপাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এতে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন তীরবর্তী এলাকার মানুষ।