তিস্তা ও পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় লালমনিরহাট ও মুন্সীগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। এতে পানি বন্দি হয়ে পড়েছেন নিম্নাঞ্চলের কয়েক লাখ মানুষ।
মুন্সীগঞ্জের মাওয়ায় পদ্মার ভাঙনে পদ্মা সেতু প্রকল্পের কনস্ট্রাকশন ইর্য়াড হুমকিতে রয়েছে।
এদিকে, কুড়িগ্রাম ও জামালপুরে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
লালমনিরহাটের ব্যারেজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে জেলার হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও লালমনিরহাট সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন এক লাখেরও বেশি মানুষ।
মুন্সীগঞ্জে শ্রীনগরের ভাগ্যকূল পয়েন্টে পদ্মার পানি বেড়ে বিপদসীমার ১৯ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে নদী তীরবর্তী এলাকার অন্তত ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। লৌহজং উপজেলার মাওয়ায় নদী ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় হুমকিতে রয়েছে পদ্মা সেতু প্রকল্পের কনস্ট্রাকশন ইর্য়াডসহ এর বিভিন্ন সরঞ্জাম ও স্থাপনা।
এদিকে, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, যমুনাসহ নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করায় বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে কুড়িগ্রাম ও জামালপুরে। তবে বাড়ি-ঘর, রাস্তা ঘাট পানিতে তলিয়ে থাকায় দুর্গত এলাকার অনেক মানুষই বাড়ি ফিরতে পারেনি। বন্যা কবলিত এলাকায় বিশুদ্ধ খাবার পানির সংটের পাশাপাশি দেখা দিয়েছে পানিবাহিত নানা রোগ।