ধরলা, তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, মেঘনাসহ সবকটি নদ-নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায়, কুড়িগ্রাম, জামালপুর, ভোলাসহ দেশের অন্যান্য জায়গায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে।
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে কুড়িগ্রামের সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি ৪৩ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি ১৪ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে ১৬ সেন্টিমিটার এবং কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ১২ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপদসীমার সামান্য নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
নতুন করে নদী তীরবর্তী এলাকার শতাধিক গ্রাম ও চর প্লাবিত হয়ে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে ৫০ হাজার মানুষ।
ভোলায় মেঘনার পানি বিপদসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ের প্রবাহিত হচ্ছে। যা গত ১৫ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এতে, কমপক্ষে ৪০টি গ্রাম তলিয়ে যাওয়ায় পানিবন্দী হয়ে পড়েছে লাখো মানুষ।
পাহাড়ি ঢলে কক্সবাজারের অধিকাংশ এলাকা তলিয়ে গেছে। বন্ধ হয়ে গেছে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের যান চলাচল।