টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় কুড়িগ্রাম ও মুন্সীগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। মুন্সীগঞ্জে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে ৩টি উপজেলার ২৫ টি গ্রাম।
কুড়িগ্রামে চিলমারী পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ও সেতু পয়েন্টে ধরলার পানি বিপদসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহতি হচ্ছে। প্লাবিত হয়েছে নতুন নতুন এলাকা।
৯টি উপজেলার ছয় শতাধিক গ্রামের প্রায় ছয় লাখ মানুষ পানিবন্দি হয় পড়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ত্রাণ দেয়া হলেও প্রয়োজনের তুলনায় তা অপ্রতুল বলে অভিযোগ বানভাসীদের।
মুন্সীগঞ্জে পদ্মার পানি বেড়ে ভাগ্যকুল পয়েন্টে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটারের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে আরো ২৫টি গ্রাম। অব্যাহত রয়েছে জেলার মেঘনা, ধলেশ্বরী ও ইছামতি নদীর পানি বৃদ্ধি।
বন্যায় মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার ৫টি ইউনিয়নের ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। বিচ্ছিন্ন রয়েছে রাজনগর-বালাগঞ্জ সড়ক যোগাযোগ।