ভোলার ইলিশা পয়েন্টে দুই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে শনিবার নতুন করে তীব্র ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে।
এতে করে গত তিন দিনে মেঘনায় শতাধিক দোকানপাট ও বসতবাড়ি বিলীন হয়ে গেছে। রাস্তা-ঘাট ও বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে বড় বড় ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদী তীরবর্তী মানুষেরা।
এদিকে, নড়াইলে মধুমতি ও নবগঙ্গা নদীর ভাঙনে দিশাহারা লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলার লক্ষাধিক মানুষ। এরইমধ্যে মসজিদ, মাদ্রাসা, ঘরবাড়িসহ বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নিঃস্ব হয়েছে হাজারো মানুষ।
ভোলায় মেঘনার গতিপথ পরিবর্তন ও পানির ঘূর্ণী সৃষ্টি হয়ে পুরাতর ফেরিঘাট থেকে মুরাদ শফিউল্লাহ পয়েন্ট পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকা জুড়ে তীব্র ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। সর্বনাশা ঢেউয়ের আঘাতে এরইমধ্যে শতাধিক ঘরবাড়ি হারিয়ে গেছে নদীগর্ভে। বিলীন হয়েছে, দোকানপাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ফসলী জমি। ভাঙনের হাত থেকে বাঁচতে দোকানপাট ও বসত বাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছেন মানুষেরা।
বসতভিটা হারিয়ে দিশেহারা মেঘনা পাড়ের অসংখ্য মানুষ। সবকিছু হারিয়ে অনেকেই আশ্রয় নিয়েছে বেড়িবাঁধের ওপর। ভাঙন আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন তারা।
মেঘনার ভাঙনের ফলে ঘাট ভেঙ্গে এখনো বন্ধ রয়েছে ভোলা-লক্ষীপুর রুটের ফেরি চলাচল। ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ায় দাবি এলাকাবাসীর।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা জানান, ভাঙন রোধে শিগগিরই কার্যকর ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
এদিকে, মধুমতি ও নবগঙ্গা নদীর ভাঙনে নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন নড়াইলের লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলার নদী তীরবর্তী ৪০টি গ্রামের মানুষ। প্রতিদিনই ভাঙনছে এলাকার ফসলী জমি, বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ নানা মূল্যবান স্থাপনা। মধুমতির ভাঙন আতঙ্কে রয়েছেন কালিয়া উপজেলার ৪০টি গ্রামের লক্ষাধিক মানুষ।