সিলেটে শিশু শেখ সামিউল আলম রাজন (১৪) হত্যাকাণ্ডের মামলা মহানগর দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তরের আদেশ দিয়েছে হাকিম আদালত।
সোমবার সকালে সিলেটের মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক সাহেদুল করিম এ আদেশ দেন।
মামলাটি জজ আদালতে স্থানান্তরের পর এর বিচারকাজ শুরু হবে।
আদালতে কর্মরত সিলেট মহানগর পুলিশের জালালাবাদ থানার জিআরও ফয়েজ উদ্দিন জানান, গত ৩১ আগস্ট আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পলাতক আসামিদের ধরতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রচারের পর বিষয়টিও পর্যালোচনা করে আদালত।
গত ১৬ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সুরঞ্জিত তালুকদার ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ১৭ আগস্ট আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে।
মালামাল জব্দের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে জালালাবাদ থানার পুলিশ ২৫ আগস্ট তিন আসামির মালপত্র জব্দ করে আদালতকে অবহিত করে।
গত ৩১ আগস্ট আদালত আসামিদের ধরতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেয়। পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের বিষয়টিও সোমবার আদালতকে জানানো হয়।
উল্লেখ, গত ৮ জুলাই সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন শেখপাড়ায় নির্যাতন করে হত্যা করা হয় শিশু সামিউল রাজনকে। রাজনকে নির্যাতন করার সময় প্রায় ২৮ মিনিট ৫২ সেকেন্ড ভিডিওচিত্র ধারণ করেছিল নির্যাতনকারীরা। এ ভিডিওচিত্রটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শুরু গণবিক্ষোভ। পরে একে একে জনতা ধরিয়ে দেয় সামিউল হত্যা মামলার আসামিদের। পালিয়ে সৌদি আরব গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়ে ঘটনার মূল হোতা কামরুল ইসলাম। আর মরদেহ গুম করার চেষ্টার সময় ধরা পড়ে একজন।