টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দেশের বেশ কয়েকটি জায়গায় নদ-নদীর পানি বেড়ে বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে।
গাইবান্ধার ঘাঘট নদীর তীব্র স্রোতে সোনালী বাঁধ ভেঙে ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তীব্র স্রোতে সোনালী বাঁধের প্রায় ৬০ ফুট দীর্ঘ এলাকা ধসে গেছে। নষ্ট হয়েছে কয়েকশো হেক্টর ফসলি জমি।
চাঁদপুরে শহর রক্ষা বাঁধেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এর মধ্যেই প্রায় ৫০ মিটার দীর্ঘ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র ও ধরলা নদীর পানি সামান্য হ্রাস পেলেও বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে দুর্ভোগে আছেন ছয় লাখেরও বেশি মানুষ।
দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগের প্রকোপ। রৌমারী উপজেলার তিনটি বাঁধ ও ২টি পাকা রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে সড়ক যোগাযোগ। এদিকে, পর্যাপ্ত ত্রাণ-সামগ্রী পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ বন্যার্তদের।
অপরিবর্তিত রয়েছে জামালপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি। ৭টি উপজেলার বিস্তীর্ন এলাকা তলিয়ে যাওয়ায় পানিবন্দি হয়ে রয়েছে লক্ষাধিক মানুষ। নষ্ট হয়ে গেছে রোপা আমনের ক্ষেত ও বীজ তলা। অভাব দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের।