ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, পদ্মাসহ দেশের অন্যান্য নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে বেশ কিছু জায়গায় দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন। দুর্গত এলাকায় দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাব ছড়িয়ে পড়ছে পানিবাহিত রোগ।
ব্রহ্মপুত্র, ধরলাসহ অন্যান্য নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করায় কুড়িগ্রামের বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে, ব্রহ্মপুত্রের পানি এখনও বিপদসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপন দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে ধীরগতিতে পানি নামায় এখনও ঘরে ফিরতে পারেনি অন্য জায়গায় আশ্রয় নেয়া মানুষেরা। এসব এলাকায় দেখা দিয়েছে খাবার ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের অভাব। ছড়িয়ে পড়েছে পানিবাহিত রোগ।
অপরিবর্তিত রয়েছে মুন্সিগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতি। নতুন করে পানি না বাড়লেও পদ্মার পানি এখনও ভাগ্যকুল পয়েন্টে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে জেলার ৩ উপজেলার কয়েক হাজার মানুষ।
এদিকে, তীব্র স্রোতের কারণে অব্যাহত রয়েছে টঙ্গীবাড়ি ও রৌহজং উপজেলার নদী ভাঙন। কমে এসেছে জেলার মেঘনা, ধলেশ্বরী ও ইছামতি নদীর পানিও।
এদিকে, গাইবান্ধার ঘাঘট নদীর পানির তীব্র স্রোতে গোদারহাট পয়েন্টে সোনালী বাঁধে ভাঙন শুরু হয়েছে। এতে করে, ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে মানুষ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কয়েকশো হেক্টর ফসলী জমি।