লালমনিরহাটের সদ্য বিলুপ্ত বাঁশপচাই ছিটমহলবাসীদের অর্ধেকেরও বেশি জমি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় প্রভাবশালীদের বেদখলে।
দখলদারদের নির্যাতনের ভয়ে জমি দখলমুক্ত করতে পারছেন না সদ্য নাগরিকত্ব পাওয়া এসব বাংলাদেশি নাগরিক। জমি দখলমুক্ত করতে গেলেই তাদেরকে মারধর ও লাঞ্ছিত করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।
লালমনিরহাটে ধরলা নদী বেষ্টিত সাবেক ভারতীয় বাঁশপচাই ছিটমহলটি সদরের কুলাঘাট, মোগলহাট ও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার শিমুলবাড়ি ইউনিয়নের সীমান্তে মাঝের চরের সঙ্গে লাগানো। ১২৭ একর আয়তনের এ ছিটমহলটিতে ২৪৩টি পরিবার বসবাস করেন। নদীর ভাঙনের শিকার হয়ে আরো শতাধিক পরিবার এখানে বসবাস করলেও তারা রয়েছেন তালিকার বাইরে।
কিন্তু ২১৭ একর জমির মধ্যে ১৬০ একর জমিই বেদখল করে রেখেছে মূল ভূখণ্ডেরর প্রভাবশালীরা। তারা এসব জমি ছিটমহলবাসীদের কাছে বর্গা দিয়ে ফসলের সমান ভাগ নিচ্ছে। ছিটবাসীদের জমি হলেও মারধর, নির্যাতন ও লাঞ্ছিত হওয়ার ভয়ে এতদিন কেউ প্রতিবাদ করেনি।
গত ৩১ জুলাই মধ্যরাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ছিটমহল বিনিময় হওয়ার পর আশার আলো দেখছেন সদ্য নাগরিকত্ব পাওয়া বাংলাদেশীরা। জমি পুনরুদ্ধারে প্রশাসনের সহযোগিতা চাচ্ছেন তারা।
এদিকে, সরকারি সিদ্ধান্ত ছাড়া জমি বেদখল করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলেন লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান।