বাড়ি -ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন বানভাসীরা। নদ-নদীর পানি কমে যাওয়ায় কুড়িগ্রাম ও মুন্সিগঞ্জের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে।
কুড়িগ্রামের নিম্নাঞ্চলের চর ও দ্বীপচরের ঘর-বাড়ি থেকে পানি সরে যাওয়ায় ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন বানভাসীরা। বিশুদ্ধ খাবার পানি ও খাদ্য সংকটে ভুগছেন এসব এলাকার মানুষজন। দেখা দিয়েছে পানিবাহিত রোগ।
চারণভূমি তলিয়ে থাকায় গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ।
এবারের বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে কৃষিতে। জেলায় ১ লাখ ২ হাজার হেক্টরের মধ্যে ৫৩ হাজার হেক্টর জমির আমন ক্ষেত নষ্ট হয়ে গেছে।
রাস্তা-ঘাট, ঘর-বাড় বিধ্বস্ত হওয়ায় ভেঙে পড়েছে গ্রামাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা।
মুন্সীগঞ্জ:
পদ্মা নদীর পানি কমে গিয়ে বিপদসীমার নীচে চলে আসায় মুন্সীগঞ্জের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। স্বাভাবিক হয়ে এসেছে পদ্মা তীরের প্লাবিত গ্রামগুলোর চিত্র।
গত ২৪ ঘণ্টায় কমে পদ্মার পানি ভাগ্যকুল পয়েন্টে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে নদীতে তীব্র স্রোতের কারণে ভাঙন অব্যাহত রয়েছে জেলার টঙ্গীবাড়ী ও লৌহজং উপজেলার পদ্মা তীরের কয়েকটি গ্রামে।
ভাঙনের কবলে পড়ে দুই শতাধিক বসত-বাড়িসহ ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ায় ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে শত শত পরিবার।
ভাঙন কবলিত এলাকায় এখনো সরকারি সহায়তা না পাওয়ায় হতাশ খতিগ্রস্তরা।
এদিকে, জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে- ভাঙনে খতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার জন্য তালিকা তৈরি করা হয়েছে।
এছাড়া জেলার মেঘনা, ধলেশ্বরী ও ইছামতি নদীর পানি কমে গিয়ে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বিরাজ করছে।