ভারত থেকে আগের মতো ব্যাপক হারে গরু না আসায় খুশি যশোরের খামার মালিকরা। কোরবানির ঈদ উপলক্ষে গরু-ছাগল বিক্রি করে ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন তারা। শেষ মুহূর্তে যাতে এসব গবাদি পশুর অসুখ-বিসুখ না হয়, সেজন্য সতর্কতার সঙ্গে দেখভাল করছেন তারা। লক্ষ্য একটাই, ভালো দাম পাওয়া।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, যশোরের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে গত কয়েক বছর ধরেই ভারত থেকে গরু আসছিলো। কোরবানির ঈদের সময় এ জেলার সীমান্তগুলো দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার গরু দেশে আসতো। এতে করে, কোরবানির বাজারে মার খাচ্ছিল দেশিয় গরুর দাম। ঈদকে ঘিরে গরু লালন-পালন বন্ধও করে দিয়েছিলেন অনেক খামারী।
তবে এ বছর ভারত থেকে গরু আসা কমে যাওয়ায় নতুন করে গরু লালন-পালন শুরু করেন খামারীরা। ঈদ বাজারে দেশীয় গরুতে ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন তারা।
শেষ মুহূর্তে যাতে রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত না হয়, তাই সতর্কতার সঙ্গে গরুগুলোকে লালন-পালন করছেন খামারীরা।
এদিকে, বাজারে ভারতীয় গরু কম থাকায় যশোরের খামার মালিকরা ভালো দাম পাবেন বলে আশা করছেন যশোর ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা তপনেশ্বর রায়।
এ বছর ঈদ উপলক্ষে যশোরের দশ হাজারেরও বেশি খামার মালিক প্রায় ২৭ হাজার গরু লালন-পালন করছেন। এছাড়াও রয়েছে, প্রায় ৬৪ হাজার ছাগল ও দুই হাজার মোহিষ।