পাবনার ঈশ্বরদীতে পদ্মার ভাঙনে অর্ধ শতাধিক বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙনের হুমকির মুখে রয়েছে আরো অনেক বসতবাড়ি, আবাদি জমি, গাছপালাসহ বিভিন্ন স্থাপনা।
ভাঙন ঠেকাতে ২২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হলেও বর্ষা মৌসুমের কারণে তা বন্ধ রয়েছে। তাই বাঁশের খুঁটি পুতে ও বালুর বস্তা ফেলে নদীভাঙন থেকে রক্ষা পাওয়ার চেষ্টা করছেন এলাকাবাসী।
সেই ১৯৮৮ সাল থেকে পদ্মার ভয়াবহ ভাঙন শুরু, চলছে এখনো। এরইমধ্যে গত ২৭ বছরের ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মন্দির, ঈদগাহসহ বিভিন্ন স্থাপনা । চলতি বর্ষা মৌসুমেও দেখা দিয়েছে নদীভাঙন ।
সাঁড়া ইউনিয়নের আড়ামবাড়িয়া বাঁধ থেকে পদ্মাতীরের মাঝদিয়া বড়পাড়া, ছোটপাড়া, ইসলামপুর, গোপালপুর, মুন্সিপাড়া, স্কুলপাড়া- এ ৬টি গ্রামের প্রায় অর্ধশতাধিক বাড়িঘর চলে গেছে নদীগর্ভে।
দীর্ঘদিন পর হলেও ভাঙন রোধে বর্তমান সরকার বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু করায় স্বস্তিতে এলাকাবাসী। তাদের দাবি, আর যেন ভাঙনে বাড়িঘর হারাতে না হয়।
আর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো: নুরুল ইসলাম সরকার বলেন, ভাঙন রোধে ২২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা নদীতে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগেই নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আশা তাদের।