একদিকে রাজধানীমুখী গরু বোঝাই ট্রাকের দীর্ঘ সারি আর বিপরীত দিক থেকে যাত্রীবাহী বাসের অতিরিক্ত চাপে বুধবার উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সংযোগকারী ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, গাজীপুরের চান্দনা চৈরাস্তা থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তায় রয়েছে যানজট,থেমে থেমে চলছে যান। ঈদে ঘরমুখী মানুষের কারণে চাপ পড়েছে দেশের ফেরি ও লঞ্চ-স্পিডবোটের ঘাটেও।
ঈদের সময় যত ঘনিয়ে আসছে ততোই বাড়ছে ঘরমুখী মানুষের চাপ। ফলে সড়কগুলোতে যানবাহনের চাপ বেড়ে দেখা দিয়েছে যানজট।
সকাল থেকে ঢাকা-টাঙ্গাইল বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের গোড়াই থেকে কুর্নি পর্যন্ত দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে মহাসড়কে কোরবানির পশুবাহী দুটি যান বিকল হয়ে পড়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে গাজীপুরের চান্দনা চৈরাস্তা থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত ২৫ কিমিটার দীর্ঘ রাস্তার মাঝে মাঝে যানজট তৈরি হয়েছে। চন্দ্রা ও এর আশপাশে ঢাকামুখী গরু বোঝাই ট্রাকের অতিরিক্ত চাপও যানজটের অন্যতম কারণ।
স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, মহাসড়কের ধারণ ক্ষমতার বেশি যানবাহনের চাপে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় যানবাহনের তীব্র চাপ থাকায় পদুয়ারবাজার থেকে ক্যান্টনমেন্ট পর্যন্ত যানবাহন চলছে ধীর গতিতে।
ঈদের কারণে চাপ পড়েছে দেশের ফেরি এ লঞ্চঘাটগুলোতেও। মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ফেরি ঘাটে থেকে কাওড়াকান্দি ঘাটের পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে দেড় শতাধিক গাড়ি। যাত্রী সুবিধার কথা বিবেচনা করে ১৭টি ফেরি দিয়ে চলছে পারাপারের কাজ। এদিকে, লঞ্চ ও স্পিডবোট ঘাটেও রয়েছে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ।
যাত্রী ও যানবাহনের চাপ পড়েছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরি ঘাটে। ফেরিতে ওঠার জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে বাস ও প্রাইভেটকারগুলোকে। ফলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রীদের।