ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বৃহস্পতিবার গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে টাঙ্গাইলের গোড়াই পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
কালিয়াকৈর-নবীনগর মহাসড়কের চন্দ্রা থেকে নবীনগর পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার সড়কেও দেখা দিয়েছে যানজট। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কিছু কিছু জায়গায় হালকা যানজট হলেও তা বেশিক্ষণ স্থায়ী হচ্ছে না।
পরিবহন সংকটের কারণে গরুবাহী ট্রাক আর পিকআপ ভ্যানে চড়েও ফিরছেন ঘরমুখী মানুষ। আর শিমুলিয়া-কাওড়াকান্দি নৌরুটে ফেরি পারাপারের জন্য অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় চার শতাধিক যানবাহন।
ঈদের আগের দিন ভোররাতে টাঙ্গাইলের পাকুলিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনার পর ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে প্রায় দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে গাজীপুরের চান্দনা থেকে টাঙ্গাইলের গোড়াই পর্যন্ত ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে গাড়িগুলো খুবই ধীর গতিতে এগুতে থাকে। এতে অবর্নণীয় দুর্ভোগে পড়তে হয় ঘরমুখো মানুষকে।
ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের নবীনগর থেকে ধামরাইয়ের বাখুলি পর্যন্ত দুপুরের আগেই পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থাকলেও বেপোরোয়া গাড়ি চালানো ও যেখানে সেখানে পার্কিংয়ের কারণে এ যানজট দীর্ঘায়িত হয়।
এদিকে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা ও পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় একটু পরপর যানজট বাধলেও তা ক্ষণস্থায়ী। সাইনবোর্ড মোড় থেকে কাঁচপুর পর্যন্ত যানবাহন স্বাভাবিক গতিতে এগুচ্ছে।
এদিকে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর পয়েন্টে ও ঢাকা- সিলেট মহাসড়কে যানবাহনের সংকট থাকায় অনেকেই গরুবাহী ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে চড়ে বাড়ি ফিরছেন তারা।
এছাড়া, ভোর থেকেই মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের ঢল নামে। শিমুলিয়া ফেরি ঘাট এলাকায় পারাপারের অপেক্ষায় কয়েকশ যানবাহন। শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় সৃষ্টি হয় ভয়াবহ যানজট।