সৌদি আরবের মিনায় পদদলিত হয়ে ৭৬৯ জন নিহতের ঘটনায় নিখোঁজ বাংলাদেশি হাজিদের জন্য উদ্বিঘ্ন পরিবার পরিজনেরা—এদের মধ্যে ৮ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন স্বজনরা।
নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ফেনীরই রয়েছেন ৩ জন। তাদের মধ্যে সোনাগাজীর সুয়াখালী গ্রামের তাহেরা বেগম ও নদনা গ্রামের মোহাম্মদ নূর নবী সম্পর্কে ভাই-বোন।
এছাড়া, পরশুরাম চিথলীয় গ্রামের খালেদা বেগমও মারা গেছেন বলে জানা গেছে।
এছাড়া ও পৌরসভার চরগনেশ গ্রামের মৃত শেখ এজহারুল হকের স্ত্রী বিবি ফাতেমা (৬৫) ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া ইউনিয়ানের মরহুম ওবাদুল হকের ছেলে জসিম উদ্দিনসহ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলে তাদের পরিবারের দাবি।
এ ঘটনায় শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার ভানুমুন্সিরকান্দি গ্রামের স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছেন। তারা হচ্ছেন এম এ রাজ্জাক ও হাসিনা আক্তার।
গোসাইরহাটের চরধীপুর গ্রামের আহম্মদ আলী নামের অপর এক হাজির মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছে তার পরিবার।
শরীয়তপুরের রয়েছেন ৩ জন। এদের মধ্যে জাজিরা উপজেলার ভানুমুন্সিরকান্দি গ্রামের এম এ রাজ্জাক ও হাসিনা আক্তার। তারা স্বামী-স্ত্রী। দিনাজপুরের একজন রযেছেন।
নিহতদের মধ্যে সুনামগঞ্জের হাজিপাড়ার জুলিয়া হুদার মৃত্যুর খবরও নিশ্চিত করেছেন স্বজনরা। নিহতের বড় বোন আফিয়া চৌধুরী পদদলিত হয়ে গুরুতর অবস্থায় সৌদির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীর রয়েছেন বলেও জানান তারা।
গত বৃহস্পতিবার হজের শেষ আনুষ্ঠানিকতায় শয়তানকে পাথর ছুড়ে মারার সময় পদদলিত হয়েছে ৭৬৯ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছে প্রায় হাজার জন।