চামড়া ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বড় মৌসুম কোরবানির ঈদ হলেও এবছর খুলনায় চামড়া সংগ্রহ হয়েছে খুবই কম। এতে করে লোকসান গুণতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের। দেখা দিয়েছে ।
অন্যদিকে, বাজারে সরবরাহ কম থাকায় নির্ধারিত দামের দ্বিগুণ টাকায় পশুর চামড়া কেনা-বেচা হয়েছে বগুড়া ও নওগাঁয়। ট্যানারি মালিকদের বাজার দরের চেয়ে চামড়ার দাম কম নির্ধারণ করাকেই এজন্য দায়ী করছেন ব্যবসায়ীরা।
চামড়া ব্যবসায়ীদের সবচেয়ে বড় মৌসুম কোরবানির ঈদ। আর এই মৌসুমে সারা বছরের লোকসান পুষিয়ে নেন খুলনার কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীরা। খুলনায় ছোট বড় মিলিয়ে চামড়া ব্যবসায়ীর সংখ্যা অর্ধশতাধিক। আন্তর্জাতিক বাজারে চামড়ার দরপতন এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে নানা সমস্যায় লোকসানের হিসেব গুণতে হচ্ছে এখানকার ব্যবসায়ীদের।
কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর যোগসাজেশে প্রতিবছরই ভারতে পাচার হয়ে যায় চামড়ার বিরাট একটি অংশ। ফলে এবছরও চামড়া পাচারের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। এজন্য চামড়া পাচার বন্ধে প্রশাসনের সহযোগিতা চান ব্যবসায়ীরা।
চামড়া ব্যবসায়ীরা বছরে যে পরিমাণে চামড়া সংগ্রহ করেন তার বড় অংশ সংগ্রহ করে থাকেন কোরবানির ঈদের সময়। তাই এই সময়টারই অপেক্ষায় থাকেন তাড়া। প্রতি বছর বগুড়ার বাজারে অন্তত কোটি কোটি টাকার চামড়া কেনাবেচা হয়। তারপরও ভাল নেই সেখানের ব্যবসায়ীরা।
একই অবস্থা নওগাঁর চামড়া ব্যবসায়ীদেরও। তাদের অভিযোগ ট্যানারি ব্যাবসায়ীরা তাদের গত বারের টাকা না দেয়ায় তারা এখন লোকশান গুণছে।
চামড়া শিল্পকে টিকেয়ে রাখা এবং চামড়া ব্যাবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতি থেকে বাঁচানোর দাবি চামড়া ব্যবসায়ীদের।