খুলনা বিভাগের সবচেয়ে বড় এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম চামড়ার বাজার বসে যশোরের রাজারহাটে। ঈদ পরবর্তী সময়ে তাই এ বাজারের দিকে নজর থাকে দেশের চামড়া ব্যবসায়ীদের। ঈদ পরবর্তী কয়েকটি হাটেই কোটি কোটি টাকার চামড়া বিক্রি হয়।
তবে এবার কোরবানির পশুর চামড়া নিয়ে বিপাকে পড়েছেন যশোরের ক্রেতা-বিক্রেতারা। এলাকার খুচরা ব্যবসায়ীরা দাম পাচ্ছেন না। ঈদ পরবর্তী হাটে যেমন পর্যাপ্ত চামড়া ওঠেনি। তেমনি বিক্রিও হয়েছে কম। এদিকে, যে পরিমান চামড়া ওঠে তার ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
তবে, ভিন্ন চিত্র ঢাকার বাইরে দেশের গুরুত্বপূর্ণ চামড়ার বাজার নাটোরের চক বৈদ্যনাথ তলায়। এখানে ভাল দামেই চামড়া কেনাবেচা হচ্ছে। তবে, ঢাকায় দাম না পেলে, লোকসানে পড়বেন বলে আশঙ্কা করছেন এ এলাকার ব্যবসায়ীরা।
প্রতি কোরবানি ঈদে দেশের মোট চামড়ার প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ ভাগই বেচা-কেনা হয় এখানে। উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের চামড়া আসে এই বাজারে। কখনো কখনো সপ্তাহ জুড়ে চলে বেচাকেনা।
এদিকে, আড়তদাররা বলেন, ক্ষুদ্র ও মৌসুমী ব্যবসায়ীরা বেশি দামে চামড়া কিনলেও তাদের ট্যানারি মালিকদের বেধে দেয়া দামের বাইরে যাওয়ার সুযোগ নেই।
তবে যশোরের ২৬ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কর্মকর্তা লে. কর্ণেল জাহাঙ্গির হোসেন বলেন, চামড়া যাতে পাচার না হয় সে জন্য সজাগ রয়েছেন তারা।
অথচ অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর বাজারের চিত্র একটু আলাদা। ট্যানারি মালিকরা যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছেন তাতেই চামড়া বেচা-কিনি চলছে।