সরকারের নানামুখী উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বদলে যাচ্ছে সদ্য বিলুপ্ত ছিটমহলের জীবনযাত্রা—পিছিয়ে পড়া এ জনগোষ্ঠির জীবনমান উন্নয়নে তৈরি হচ্ছে পাকা সড়ক, ব্রীজ-কালভার্ট, ঘরে ঘরে বিদ্যুতায়ন, ব্যাংকিং সেবা, তথ্যপ্রযুক্তিসহ নানা সুযোগ-সুবিধা।
এ সব কর্মকাণ্ডে ছিটবাসীরা খুশি হলেও তাদের দাবি কর্মসংস্থানের সুযোগ করে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় সম্পৃক্ত করা।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, গত ১ আগষ্ট বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হয় কুড়িগ্রামের ১২টি ছিটমহল। ৬৮ বছর ধরে সুযোগ-সুবিধা বঞ্চিত এসব ছিটের মানুষের আর্থ সামাজিক ও জীবন উন্নয়নে কাজ শুরু করেছে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো।
তৈরি করা হচ্ছে পাকা সড়ক, ব্রীজ কালরভার্ট আর ঘরে ঘরে দেয়া হয়েছে বিদ্যুতের সংযোগ। স্বাস্থ্যসেবা, ব্যাংকিং ও তথ্য প্রযুক্তির সুবিধাও পৌঁছে গেছে ছিটবাসীদের মাঝে। এসব ছিটের জমির পরিমান ২ হাজার ৭৪৩ একর। লোক সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৮ হাজার।
সদ্য বিলুপ্ত ছিটমহলের বাসিন্দারা সরকারের এমন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে খুশি। তবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পায়নের মাধ্যমে এসব এলাকায় কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেয়া হবে সরকারের কাছে এমন দাবি ছিটমহলবাসীদের।
আর্থ সামাজিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি ৬৮ বছর ধরে পিছিয়ে থাকা এ জনগষ্ঠির উন্নয়নে সরকার সময়উপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এমনটাই প্রত্যাশা বিলুপ্ত ছিটমহলের বাসিন্দাদের।