রংপুর, হবিগঞ্জ, নড়াইল, গাইবান্ধা ও মৌলভীবাজারে সড়ক দুর্ঘটনায় ৮ জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৪৫ জন।
আমাদের সংবাদদাতা জানিয়েছেন, রংপুর নগরীর হাজিরহাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে ২ জন বাসযাত্রী মারা গেছেন। এতে আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন। এদের মধ্যে ১২ জনকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রংপুর ধাপ পুলিশ ফাঁড়ির টি এসআই কিবরিয়া ও আহত বাস যাত্রীরা জানান, ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী শুভ পরিবহনের একটি বাস সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রংপুর নগরীর হাজির হাট এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে বাসটির সামনের অংশ দুমড়ে মুচরে যায়। ঘটনাস্থলেই এক বাস যাত্রী নিহত হন। আহত হন কমপক্ষে ১৫ জন।
আহতদের রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে চিকিৎসাধিন অবস্থায় আরো এক যাত্রী মারা যান।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় নিশ্চিত করেছে পুলিশ। তার নাম সুজন (৩০)। পিতা আব্দুস সালাম বাড়ি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার দমদমা এলাকায়। অপরজনের পরিচয় জানা যায়নি।
এছাড়াও যশোর-নড়াইল সড়কের হামিদপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নাজিম উদ্দিন (৫০) নামে একজন নিহত হয়েছেন। কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছেন।
পুলিশ জানায়, নড়াইলের কালনা ঘাট থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস যশোর যাচ্ছিল। বাসটি যশোর-নড়াইল সড়কের হামিদপুর নামক স্থানে পৌঁছালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে নড়াইলের লোহাগড়ার নাজিম উদ্দিন নিহত এবং আরো অনেক যাত্রী আহত হন।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক কল্লোল কুমার সাহা জানান, আহতদের মধ্যে ২৫ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। এরমধ্যে ১৪ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। বাদবাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
এদিকে, হবিগঞ্জ, গাইবান্ধা ও মৌলভীবাজারে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৬ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৫ জন।